কুমিল্লা প্রতিনিধি।। টাঙ্গাইলের করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমুল্লীর ধনী ফ্যামিলির মেয়ে লুবনা, বাবা মায়ের অমতেই শ্রমিক ছেলের সাথে প্রথমে সম্পর্ক এরপর লুকিয়ে বিয়ে করে ফেলেছে।
যখন তারা ভালোবাসার সাথে সংসার করতে ব্যস্ত তখন এটা লুবনার ফ্যামিলি মেনে নিতে না পারায় লুবনার বাবা মা লুবনার স্বামী সোহাগের নামে থানায় মা*ম*লা করেছে এরপর সোহাগকেও থানা থেকে পুলিশ ধ”রে নিয়ে গিয়েছে। মেয়ের বয়স অপ্রাপ্ত, লুবনাকে ধ*ষ*ণ করছে এমন অভিযোগ এনে লুবনার বাবা সোহাগের নামে মা”ম”লা করেছে। লুবনার বাবা মা এখানেই থামেনি সোহাগকে জে”লে পাঠানোর পর লুবনার গর্বে থাকা সন্তানকেও নষ্ট করে ফেলেন।
তবুও ভালোবাসার মানুষ, নিজের সন্তানকে হারিয়েও লুবনা এখানে থেমে যায়নি যেখানে নিজের বাবা মা নিজের মেয়ের স্বামীর সোহাগের বিপরীতে ভাসছে সেখানে লুবনাও সোহাগের জন্যে নিজের বাবা মায়ের বিপরীতে ভাসছে।
তার একটাই কথা, “আমার সবকিছু আমি একজনকেই দিয়েছি আর কাউকেই দেওয়া সম্ভব নয়” এ যেনো একজন সত্যিকারের স্ত্রীর মতো কথা!
বাবা মায়ের কাছে নত না হয়ে লুবনা নিজের গরীব স্বামীর বাড়ীতেই শাশুড়ির ছত্রছায়ায় আশ্রয় নেন। এটা দেখে গ্রামবাসীও লুবনা ও সোহাগের ভালোবাসাকে সমর্থন এনে মানববন্ধন করেন।
গ্রামবাসীরা নিজেরা টাকা উঠিয়ে সোহাগকে ছাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।যেটা সিনেমাকেও হার মানিয়েছেন, লুবনা যেনো পুরো দেশের প্রকৃত প্রেমিক-প্রেমিকাদের আদর্শ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দেখিয়ে দিয়েছে, লুবনার ভালোবাসা খাটি, লুবনার ভালোবাসার মানুষ সত্য।
লুবনা প্রমাণ করেছে, ভালোবাসার শক্তি টাকার চেয়ে বড়। লুবনা নারীদের অনুপ্রেরণা যেখানে একজন নারী তার সকল বাধা পেরিয়ে দাঁড়িয়েছে তার প্রেমিকের সমর্থনে।


